গোমাতার সন্তানকূল রাষ্ট্রবাদী


রাষ্ট্রবাদী হয়ে যেতে পারলে এখন একটা গুণ্ডামির লাইসেন্স ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে। রাষ্ট্রবাদী ভক্ত সপাটে চড় মেরে দেবে সরকার বিরোধী প্রতিবাদের মুখে। এই ধরণের কার্যকলাপ ও ভিন্নসুরকে হত্যা করা মানেই ফ্যাসিবাদ। সঙ্ঘপ্রীতির প্রভাব ওদের রাষ্ট্রবাদী বা ফ্যাসিবাদী করে ফেলেছে। আরও সহজ করে বললে এদের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রবাদক বলা যায়। এরা ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার বাজনা বাজায়।

পেপার লিক স্ক্যাম নিয়ে মিডিয়া কিছু বলছেনা। সরকার কিছু বলছেনা। যারা বলছে তারা তেলাপোকা। লাখ লাখ তেলাপোকা কাদায় পড়ছে। স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে। সরকার সাহেবের ভ্রূক্ষেপ নেই। এই স্ক্যামের মধ্যে দালালি আর টাকার খাঁই আছে। অনেক ধরণের রাষ্ট্রবাদী নেতা, আমলা, গামলা এই স্ক্যামে জড়িত আছে। এদের জন্যে রক্ষাকবচের কাজ করছে রাষ্ট্রবাদের মাদুলি। সম্প্রতি তেলাপোকা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে'র গালে সপাটে চড় কষিয়েছে এই ধরণের কয়েকজন রাষ্ট্রবাদী।

এদের কাছে গোরু মানে গোমাতা। গোমাতার বৎস মানেই বাছুর। রাষ্ট্রবাদী ছেলেপিলেগুলো কে গোমাতার সন্তান না বলে বাছুর বললেও একই মানে দাঁড়াবে। এই বাছুরের দল আমাদের স্যাঁটা মেরে দিয়েছে। বাছুরগুলো অযাচিত ও অনিয়ন্ত্রিত। কথা বলতে হবেনা, গন্ধ শুঁকেই বলে দিতে পারি কার গায়ে গোরুর গন্ধ। এরাই সমাজের স্যাঁটা ভেঙে দিয়েছে।

ফ্যাসিবাদ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার একটা লাইট ভার্সান বাংলার ডিম থেরাপি। অনেকেই আমার মতো হাসাহাসি করছেন। আপদ তো বাংলা আন্দাজ করেছিল ১৫ বছর আগেই। ডিম থেরাপির মধ্যে দিয়ে আগাম বিপদের বার্তা দিয়ে রাখুন সবাইকে। ফ্যাসিবাদের কচকচানিতে না গিয়ে দৈনন্দিন ঘটনাগুলোর ওপর নজর রেখেই আমি ফ্যাসিবাদ বুঝতে শুরু করলাম। যেমন এনকাউন্টার, বুলডোজার, হকার উচ্ছেদ, ইতিহাসকে ফ্রক পরিয়ে দেওয়া, ED লেলিয়ে দেওয়া এবং এই ধরণের মুখরোচক অনেক কিছু। বই ঘাঁটা থেকে বেঁচে গেলাম ভাই। দেখতে পাচ্ছি যারা রাষ্ট্রবাদী বলে নিজেদের দাবি করছে তারাই ফ্যাসিবাদের বাদ্যবাদক।

Post a Comment

0 Comments